-
অসমাপ্ত আত্নজীবনী
৳525 -
চিলেকোঠার
৳300 -
মূল ধারা ৭১
৳350
১৯৬৯ সালের পূর্ব বাংলা।কী এক জীবনস্পর্ধী মন্ত্রের মুখে বিস্ফারিত চারদিক।কেঁপে ওঠে নগর ধাকা।কাঁপে সহর,বন্দর,গঞ্জ,নিভৃত গ্রাম,এমনকি যমুনার দুর্গম চর এলাকা।কখনো কঠিন বুলেটের আঘাতে,কখনো ঘুম-ভেঙ্গে-দেওয়া আঁধির ঝাপটায়।মিটিং আর মিছিল আর গুলিবর্ষণ আর কারফ্যু-ভাঙা আর গনয়াদালত-সব জয়গায় ফেটে পড়ে ক্ষোভ ও বিদ্রহ।সব মানুষেরই হৃদয়ের অভিষেক ঘটে একটি অবিচল লক্ষ্যে-মুক্তি।
মুক্তি?তার আসার পথও যে একরকম নয়।কারো স্লোগান,’দিকে দিকে আগুন জ্বালো’,কারো ‘পদ্মা মেঘনা জমুনা’।কেউ দাঁড়ায় এই সারিতে,কেউ ঐ সারিতে দাঁড়িয়ে খোলা আকাশের দিকে দৃষ্টি রাখে।মুক্তির স্বাদ কি এমনই!
উষ্ণ থেকে উষ্ণতর হই ঢাকা।সেই ঢাকার ঘিঞ্জি গলির মধ্যে একটি বারি।সেই বাড়িতে থাকে একজন,নাম যার ওসমান গনি ওরফে রঞ্জু।যে সব শোনে,দ্যাখে,মিটিঙে যায়,মিছিলেও যায়। তবু কিছুতেই সে যেন শরিক নয়।তাকে ঘিরে রাখে তার চিলেকোঠার চার দেওয়াল।ওই দেওয়াল বিচ্ছিন্নতার ও আত্মপ্রেমের।তার প্রতিবেশী তারই সহনামী আরেক রঞ্জু,এক কিশোর।তার তারুনী বোনের প্রতি ওসমাান আসক্ত।মেয়েটির শরীর সে কামনা করে।কিন্তু প্রেম তার কিশোর রঞ্জুর প্রতি।এই প্রেমের খাঁচা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ওসমানের ডানা তিরতির করে,কিন্তু এত সহজ কি বেরুনো?
গণঅভ্যুত্থানে সন্ত্রস্ত শাসকদের নতুন করে আরোপ করা সামরিক শাসনের নির্যাতন শুরু হলে বন্ধুরা যখন বিহ্বল,ওসমানের ডানায় তখন লাগে প্রবল বেগ।সহনামী কিশোরকে সে চুম্বনে রক্তাক্ত করে