কোন কুক্ষণে যে তার জিনিয়াস কাজিন পিটারের বেবি-সিটিঙের দায়িত্বটা নিয়েছিল সে!-ক্ষুদ্ধ হয়ে ভাবে রবিন। পিটার ভিডিও গেম খেলে না। ফ্রিসবি খেলে না। কোনো খেলাই সে খেলে না। সিারাক্ষণ বাড়ির বেইসমেন্টে বসে গবেষণা আর গবেষণা, কীসের পরীক্ষা যে সে করে সে-ই জানে। আরো একটা কাজ করে, রবিন আর তার বন্ধু ইশার বিরুদ্ধে লাগা। ওদেরকে যন্ত্রণা দিতে তার ভালো লাগে। পিটারের অত্যাচারে বিরক্ত হতে হতে শেষে এমন পর্যায়ে চলে গেল রবিন, পিটারকে শায়েস্তা করার একটা বুদ্ধি বের করল। বুদ্ধিটা হলো ‘ভূতুড়ে রক্ত’। যে জিনিস ইতিপূর্বেও ওদের দুরন্ত অভিযানের সাক্ষী হয়েছিল। জিনিসটা সবুজ। পিচ্ছিল। বাতাসের সংস্পর্শে এলেই বড় হতে থাকে। এ এক ভয়ংকর কাহিনি। পাঠক, যাদের সাহস কম, কিংবা হৃৎপিণ্ড দুর্বল, তারা এ বই পোড়ো না!