বিখ্যাত গোয়েন্দা ও কিশোর চাচা রাশেদ পাশা তিন গোয়েন্দাকে একটা রহস্য সমাধান করতে বললেন। তাঁর ধারণা রকি উপনাগরের দিকে মুখ করা একটা পাহাড়চূড়ার আজব বাড়িতে রহস্যময় কিছু ঘটছে। মুসার ধারণা, ওটা ভূতের বাড়ি। বাকি কেউ এ কথা বিশ্বাস করল না।<br>
কিশো্র আর রবিন বাড়িটার কাছে গেলে কে যেন বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করে উঠল। তাকে সাহায্য করতে গিয়ে চিলেকোঠায় আটকা পড়ল দুই গোয়েন্দা। অনেক কষ্টে মুক্তি পেয়ে ওরা দেখল রকি বে-তে একটা মোটরবোট আরেকটা বোটকে তাড়া করছে। হঠাৎ একটা বোট বিস্ফোরিত হয়ে তাতে আগুন ধরে গেল। একজন লোককে উদ্ধার করা হলো।
পরদিন রহস্যময়ভাবে রাশেদ পাশা নিজেই অদৃশ্য হয়ে গেলেন। অনেক খুঁজেও তাঁকে পাওয়া গেল না। বরং পাওয়া গেল চমকপ্রদ আরো অনেক কিছু । ধীরে ধীরে জমে উঠল নাটক। পাহাড়ের নিচে প্রাচীন সুড়ঙ্গ, হ্রদ, জলদস্যুদের পুরানো বাতিল আস্তানা, চোরাচালানিদের ঘাঁটি ইত্যাদি, সব মিলিয়ে এক জটিল রহস্য।