রম্য সমগ্রং-এ যে সমস্ত ‘আবর্জনা’ ছাপা হয়েছে তার সবই ‘আজাবৃ’ টাইপ রচনা। এই সমগ্ৰং-এর লেখক অবশ্য এগুলোকে ‘রম্য কলাম’ বা ‘রম্য রচনা’ বলতে আগ্রহী নন। এগুলো যেন নিছক কিছু ‘সিচ্যুয়েশন কমেডি’-র লেখ্য রূপ। কিংবা বলা যেতে পারে প্রাকটিক্যাল জোক্স বা রিয়্যালিস্টিক জোকসের কিঞ্চিৎ ভাবসম্প্রসারণ।
অবশ্য একইসঙ্গে কিছু স্যাটায়ার ধরনের রচনাও এই গ্রন্থে ব্যাক ডোর দিয়ে ঢুকে গেছে। সব মিলিয়েই এই রম্য সমগ্রং!
যিনি রম্য লিখবেন তার মধ্যে অবশ্যই “সেন্স অফ হিউমার” ব্যাপারটি থাকতেই হবে। আর এই সমগ্রং-এর লেখক যেহেতু ইতোমধ্যেই একজন সফল (!) কার্টুনিস্ট অতএব ধরে নিতেই হবে তার সেন্স অফ হিউমার আছে। আর যেহেতু তিনি মূলত একজন কার্টুনিস্ট অতএব কার্টুন আঁকার পাশাপাশি তাকে সংলাপ লিখতে হয়। লিখতে যখন হয় তখন নিশ্চয়ই তিনি লিখতেও পারেন। অতএব তিনি লেখকও মানে রম্য লেখক আর কি! আর সে কারণেই সব মিলিয়ে-ঝিলিয়ে অবশেষে এই ...সমগ্রং