-
ইন্টারভিউ
৳100 -
স্বাধীনতার কৃষ্ণপক্ষ
৳100 -
বীর বাঙালির ছড়া
৳150 -
স্মৃতি অম্লান ১৯৭১
৳400 -
মুক্তিসংগ্রাম
৳600
Publish
Date: February 2012
Page
No: 112
Size: 5.5×8.5
Binding: Hard
Cover
ISBN No: 978 984 04 1448 2
কাহিনির
প্রধান চরিত্র এনায়েতুল্লাহ খান মৃত্যুভয়ে ভীত নন, বরং তার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত।
তিনি মনে করেন না যে জোর করে বেঁচে থাকার জন্য হাসপাতাল-ক্লিনিকে, আর কষ্ট দিতে হবে
আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের। তিনি অসুস্থ হাসপাতালে যাবার বিরোধী, বাড়িতে থেকেই অন্তিম
যাত্রার জন্য প্রস্তুত। নাতনি তুলি তাঁর ঘরটা নতুন করে সাজিয়ে দেয়, বলে এতে করে ঘরটায়
নতুন এনার্জি আসবে যা তাঁকেও নতুন শক্তি দেবে। আপত্তি সত্ত্বেও তিনি তা মেনে নেন এবং
ঘরের পরিবর্তন দেখে সন্তুষ্টই হন। তাঁর দুই ছেলে যখন তাঁর বাড়ি ডেভেলপারকে দেওয়ার আলোচনায়
ব্যস্ত তিনি তখন গ্রামের বাড়িতে নতুন করে যাওয়া- আসার মাধ্যমে খুজেঁ পান শেকড়। তুলি
তাঁকে ফেসবুক ব্যবহার করে খুঁজে বার করতে চেষ্টা করে তাঁর পুরোনো বন্ধুদের। খুঁজে পাওয়া
পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে ফেসবুকে আলাপ করে তিনি নতুন জীবন খুঁজে পান। তুলি তার দাদুর
বন্ধুদের মধ্যে বিশেষ একজনের ঠিকানা পেলেও সেটা তাঁকে বলে না, এই বলতে না পারার জন্য
সে নিজেই কষ্ট পায়। বিকেলে একজন এক ধরনের আত্মবিশ্বাসের, জীবন সম্বন্ধে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
আর ধারণার কাহিনি। জীবন সায়াহ্নে এসে কীভাবে তা সানন্দে উপভোগ করা যায় এই উপন্যাস সেই
কথা বলে।